হলি বাস্কেটের গরুর ঘানির বিশুদ্ধ সরিষার তেল

পবিত্র কোরবাণীর ঈদে ’সরিষার তেল’ এর আমেজে হোক একটু অন্য রকম রান্নাবান্না। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করুন দেশি সরিষা থেকে প্রস্তুত হলি বাস্কেটের গরুর ঘানির বিশুদ্ধ সরিষার তেল! বিশুদ্ধ সরিষার তেল মানেই মায়ের হাতের রান্নার সেই সুস্বাদ ও সুগন্ধ! রান্নায় মেয়েদের প্রথম পছন্দ! আর ঐতিহ্যগতভাবে রান্নার অপূর্ব সেতু বন্ধন!

লক্ষ্য রাখার বিষয় হলো, শরীরের জন্য নামি-দামি ব্যান্ডের সরিষার তেল কিন্তু মোটেও উপকারী নয়। আসলে প্রয়োজন খাঁটি সরিষার তেল। ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যান্ডেড তেল নয়, খাঁটি সরিষা থেকে ঘানিতে তৈরি করা তেল ব্যবহার করতে হবে। সরিষার তেলে খাবার যেমন সুস্বাদু হয়, তেমনি এর রয়েছে পুষ্টিগুণ। সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং সহজেই হজমকারক।

বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের কোনো রান্না এই তেলটি ছাড়া ভাবাই যেতনা! একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত তেলটি ব্যবহার করে রান্না করা খাবার খেলে শরীরের একাধিক উপকার হয়। বাড়ে আয়ুও!

ব্যাপক চাহিদা থাকায় স্টক থাকতে আপনি আজই অর্ডার দিয়ে রাখুন! আর হলি বাস্কেটের একঝাঁক তরুণ ঢাকা শহরে পৌঁছে দিবে আপনার সুরক্ষিত দরজায়! দেশের যে কোন স্থান থেকে কুরিয়ারেও পেতে পারেন বিশুদ্ধ এই পণ্যটি!

সরিষার তেলের মূল্য তালিকা

Cow’s Ghani [Grinder] Mustard Oil [গরুর ঘানির বিশুদ্ধ সরিষার তেল]

5L – Tk.1275

1L – Tk.260

500ml – Tk.135

 

Machine’s Ghani [Grinder] Mustard Oil [মেশিনের ঘানির বিশুদ্ধ সরিষার তেল]

5L – Tk.1075

1L – Tk.220

500ml – Tk.115

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় তেল হল সরিষার তেল। সরিষার তেলের উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন।

  1. একাধিক গবেষণায় একথা প্রামাণিত হয়েছে যে শ্বাসকষ্ট সম্পর্কিত যে কোনো ধরনের সমস্যা কমাতে সরিষার তেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই যারা এমন ধরনের রোগকষ্টে ভুগছেন, তাদের নিয়মিত সরিষার তেল খাওয়া উচিত।
  2. হৃদরোগজনিত জটিলতায় কারণে বিশ্বে প্রতিবছর অনেক মানুষ মারা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
  3. গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে থাকা ওমেগা থ্রি পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
  4. এই তেল রান্নায় ব্যবহারে করলে শতকরা ৫০ ভাগ টিউমারের আশঙ্কা কমে যায়।
  5. সরিষার তেলে থাকা অ্যালিল আইসোথিয়োকানেট উপাদান মূত্রাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ৩৪ ভাগ কমায়।
  6. সরিষার তেলে থাকা অ্যান্টিবমাইক্রোবিয়াল উপাদান হজমশক্তি উন্নত করে ও দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
  7. সরিষার তেলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম থাকায় ওজন কমায় সঙ্গে লোহিত রক্তকণিকার গঠনে ভূমিকা রাখে।
  8. সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শ্বাসনালি এবং মূত্রনালি ও ব্রঙ্কাইটিস ইনফেকশন সারাতে সরিষার তেল বিশেষ ভূমিকা রাখে।
  9. সরিষার তেল অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর। তাই সরিষার তেল অ্যালার্জি ও র‌্যাশ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  10. ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে প্রতি রাতে সমপরিমাণ সরিষার তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে মিনিট দশেক ধরে ম্যাসাজ, তারপর ভালো করে মুখ ধুয়ে ঘুমোতে গেলে ত্বক যেমন নরম থাকবে, তেমন উজ্জ্বলও হবে।
  11. সানস্ক্রিনে মুখে খুব ঘাম হলে বা ত্বক নষ্ট হতে থাকলে অল্প সরিষার তেল হাতের তালুতে ঘষে মুখে লাগিয়ে নিলে তা সূর্যের ক্ষতিকারক আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে।
  12. ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়।
  13. সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। এ ছাড়া এই তেল আয়রন, ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের উৎস, যা চুল পড়া রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  14. অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে।
  15. আমাদের চেনা পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যাঁরা আর্থ্রাইটি রোগে ভুগছেন। ব্যথায় অনেকেই জর্জরিত। পেইনকিলার নিয়ে দিনের পর দিন কাটাচ্ছেন। এর থেকে নিরাময়ের জন্য একবার অতি পরিচিত এই তেলের ওপর বিশ্বাস করে দেখতে পারেন। সরিষার তেল আর আদা—এই দুটিতেই এমন উপাদান থাকে, যা প্রদাহজনিত উৎসেচকের ক্রিয়ার গতি কমিয়ে তোলে। ফলে ব্যথার থেকে আরাম পাওয়া যায়। জয়েন্টের ব্যথার হাত থেকে নিরাময় পেতে সরিষার তেলে পরিমাণমতো কর্পূর মেশান। তেল গরম করে ঠান্ডা হতে দিন। এবার সেই তেল দিয়ে মালিশ করুন। আরাম পাবেন।
  16. যাঁদের ক্ষুধার সমস্যা আছে, তাঁরা রান্নায় সরিষায় তেল ব্যবহার করতে পারেন।
  17. মাড়ির বিভিন্ন রোগ দূর করতে লবণ ও সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়।
  18. পোকামাকড় সরিষার তেল সহ্য করতে পারে না। এই তেল ব্যবহার করে পোকামাকড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
  19. মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে ম্যাগনেসিয়াম দারুন কাজে আসে। আর যেমনটা ইতিমধ্যেই আপনারা জেনে গেছেন যে সরিষার তেলে এই খনিজটি বিপুল পরিমাণে থাকে। তাই এমন তেলে রান্না করা খাবার খেলে মাইগ্রেনের কষ্ট একেবারে কমে যায়।
  20. সরিষার তেলে রয়েছে কপার, আয়রণ, ম্যাগনেসিয়াম এবং সেলেনিয়াম। এই খনিজগুলি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  21. পেশীর যে কোনো ধরনের যন্ত্রণা কমানোর পাশাপাশি ঠাণ্ডা লাগা, পিঠে ব্যথা, এমনকি জ্বরের প্রকোপ কমাতেও সরিষার তেলের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।

ঠিকানাঃ ক-৮ (২য় তলা), বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা (মেইন গেট), আইনউদ্দীন মুন্সি রোড, ভাটারা, ঢাকা।

Cell: +88-01709-993199; +88-01709-993196; +88 01711 585621; +88 01818 643870

Web: www.facebook.com/holybasketbd

Gmail: oliverealestatebd@gmail.com

(Visited 2 times, 1 visits today)

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *