হলি বাস্কেটের বিশুদ্ধ ঘি

হলি বাস্কেটের বিশুদ্ধ ঘি

পবিত্র কোরবাণীর ঈদে ঘি’এর আমেজে হোক একটু অন্য রকম রান্নাবান্না। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন বাড়িতে প্রস্তুতকৃত হলি বাস্কেটের বিশুদ্ধ ঘি! বিশুদ্ধ ঘি মানেই মায়ের হাতের রান্নার সেরা স্বাদ! মেয়েদের রান্নার গর্ব! আর ঐতিহ্যগতভাবে পারিবারিক খাবারের অপূর্ব সেতু বন্ধন!

ব্যাপক চাহিদা থাকায় স্টক থাকতে আপনি আজই অর্ডার দিয়ে রাখুন! আর হলি বাস্কেটের একঝাঁক তরুণ ঢাকা শহরে পৌঁছে দিবে আপনার আঙিনায়! দেশের যে কোন স্থান থেকে কুরিয়ারেও পেতে পারেন বিশুদ্ধ এই পণ্যটি!

Homemade Pure Ghee [বিশুদ্ধ ঘি (গাওয়া ঘি)]

মূল্য তালিকা

900g – Tk.1190

400g – Tk.540

200g – Tk.280

100g – Tk.150

ঈদের সময় অল্পস্বল্প পরিবর্তন করে চেনা খাবারের স্বাদও বদলে ফেলা যায়। মাংসের কোরমা, বিরিয়ানি, বিফ মুচমুচে কাবাব, লাচ্চা সেমাই, শাকশব্জি ও অন্যান্য রান্নায় ঘি’এর ব্যবহার করুন। আর মজাদার খাদ্য তৃপ্তিভরে আহার করুন।

ঘি নাম শুনলেই যেন মনটা ভরে যায়। গরম ভাতে একটু ঘি হলেই যেন পুরো ভাতটা নিমিষেই খাওয়া হয়ে যায়। ভাতের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি থাকে। ঘি এর ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। বিশেষ কিছু খাবারের স্বাদ বাড়াতে কাচ্চি বিরিয়ানীসহ আরো অন্যান্য খাবার তৈরিতে ঘিয়ের প্রয়োজন হয়। খাঁটি ঘিয়ের রয়েছে বিস্ময়কর কিছু গুণ, যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী।

দেশি বিশুদ্ধ ঘিয়ের বিস্ময়কর গুণাবলী

  1. হাড়েরজন্য: ঘি’তে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে, যা আমাদের হৃৎপিন্ড ও হাড়ের জন্য খুবই উপকারী। এই ঘি’য়ের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট যা গিঁটে ব্যথা ও আর্থ্রাইটিসের সমস্যা সমাধানে কাজ করে। তাছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে কাজ করে এবং হাড়কে ভালো রাখে।
  2. চুলপড়া প্রতিরোধ করে: এটি চুল পড়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। ঘি চুল নরম, উজ্জ্বল করতে উপকারী। ঘিতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের জন্য দারুণ উপকারী।
  3. স্মৃতিশক্তিবাড়ায়: ঘি ব্রেন টনিক হিসেবে কাজ করে। নিউট্রিশনিস্টদের মতে নার্ভের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিকভাবে ব্রেন পাওয়ারের উন্নতিতে ঘি’এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত ওমেগা- ৬ এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীর এবং মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  4. ওজনকমায় এনার্জি বাড়ায়: ঘি’য়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব দ্রুত এনার্জি বাড়াতে সহায়তা করে থাকে।
  5. হজম ক্ষমতা বাড়ায়: ঘি’তে রয়েছে প্রচুর বিউটারিক অ্যাসিড, যা আমাদের খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে।
  6. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকায়, ঘি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  7. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ঘিয়ের মধ্যে কোষকে পুনর্গঠন করার ক্ষমতা রয়েছে। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। ঘি ত্বককে ময়েশ্চার করে, ত্বকের রোগ সোরিয়াসিস কমাতে কাজ করে।
  8. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: ঘিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত ফ্রি রেডিকালদের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। ফলে কোষের বিন্যাসে পরিবর্তন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
  9. চোখকে ভালো রাখে: ঘিতে রেয়েছ ভিটামিন -ই। তাই এটি যদি নিয়মিত খাওয়া যায়, তাহলে অবটিক নার্ভের উন্নতি ঘটে। ফলে আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়।
  10. কোষ্ঠকাঠিন্যে: যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাঁদের জন্য ঘি খুবই উপকারী।

রূপচর্চায়ও ঘি বেশ কার্যকর

  1. ঠোঁটকে নরম এবং গোলাপি রাখতে ঘিয়ের জুড়ি নেই। অল্প ঘি নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষুন।
  2. চোখের নিচের কালি দূর করবে ঘি। এক ফোঁটা ঘি নিয়ে চোখের চারপাশে ম্যাসাজ করুন। সারারাত রেখে সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  3. প্রতিদিন মাথার ত্বকে ঘি দিয়ে ম্যাসাজ করলে মাথায় রক্ত চলাচল ভালো হয় এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে। এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ চামচ ঘি নিয়ে চুল এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  4. দুই চামচ ঘি হালকা গরম করে ভালো করে তাতে অল্প পানি মেশান। তারপর সেই মিশ্রণ সারা গায়ে এবং মুখে মাখুন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক মসৃণ থাকবে।

কতটা পরিমাণ ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যকর

উপকারী খাবারও বেশি মাত্রায় খাওয়া উচিত নয়। কারণ এমনটা করলে শরীরের ভাল হওয়ার থেকে ক্ষতি হয় বেশি। যেমন, ঘি-এর কথাই ধরুন না। এই খাবারটি শরীরের এতটা উপকারে লাগে কিন্তু কেউ যদি অনিয়ন্ত্রিত হারে ঘি খাওয়া শুরু করেন, তাহলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। তাহলে এখন প্রশ্ন হল, দিনে কত পরিমাণ ঘি খাওয়া চলতে পারে? চিকিৎসকদের মতে শরীরকে সুস্থ রাখতে দৈনিক ২ চামচের বেশি ঘি খাওয়া একেবারেই চলবে না। অর্থাৎ এ খাবার গ্রহণে পরিমিত হতে হবে। একবারে বেশি খাওয়া যাবে না। দিনে ১০ থেকে ১৫ গ্রাম ঘি খাওয়া যেতে পারে।

ডায়াবেটিসের জন্য ঘি

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও ঘি বেশ উপকারী। পরোটা ও সাদা ভাতে যদি অল্প পরিমাণে ঘি মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে তা হজমে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। পুষ্টিবিদ ও বিশেষজ্ঞ শিল্পা আরোরার মতে ডায়াবেটিসের ওষুধ ঘি। বাড়িতে তৈরি ঘি-তে ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। রান্নায় এক চা চামচ ঘি দিলে তা আমাদের কোনও ক্ষতি করে না।

ঠিকানাঃ ক-৮ (২য় তলা), বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা (মেইন গেট), আইনউদ্দীন মুন্সি রোড, ভাটারা, ঢাকা।

 

Cell: +88-01709-993199; +88-01709-993196; +88 01711 585621; +88 01818 643870

Web: www.facebook.com/holybasketbd

Gmail: oliverealestatebd@gmail.com

(Visited 14 times, 1 visits today)

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *